![]()
আগামী পাঁচ বছর দেশের জনকল্যাণ ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব জনগণ বিএনপি এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) এক সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়
নজরুল ইসলাম খান জানান, এবারের নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। তিনি বলেন, “জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাদের বিজয়ী করেছে। শুধু বিএনপি নয়, আমাদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে ও জোটে থাকা শরিক দলগুলোর অনেকেই এই নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন।”
নির্বাচনের গুণগত মান ও সন্তুষ্টি
নির্বাচন নিয়ে শতভাগ সন্তুষ্ট কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, “যেকোনো বিষয়ে শতভাগ সন্তুষ্টি অর্জন অনেক কঠিন। তবে আমরা সার্বিকভাবে এই নির্বাচনে মোটামুটি সন্তুষ্ট।”
নিজের বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “বিগত নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। অতীতে অনেক প্রাণহানি, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি হতে দেখেছি। এবার সেই তুলনায় তেমন কোনো সহিংসতা বা বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”
ভোটার উপস্থিতি ও আগামীর চ্যালেঞ্জ
নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “বিগত দেড় দশকে দেশে ভোট না দেওয়ার একটি নেতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। মানুষ ভোটকেন্দ্র বিমুখ হয়ে পড়েছিল। সেই স্থবিরতা কাটিয়ে আমরা জনগণকে পুরোপুরি ভোটকেন্দ্রে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি—এমন দাবি এখনই করছি না।”
তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই যাত্রায় আগামী দিনগুলোতে আমরা জনগণের আস্থা অর্জন করে তাদের আবারও ভোটের প্রতি আগ্রহী করে তুলব। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করাই হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”
মন্তব্য